Search
Close this search box.
Search
Close this search box.

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ার নিয়ম: পিল খাওয়ার সঠিক নিয়ম জেনে পিল খাচ্ছেন তো!

Last updated on July 20th, 2023

পিল খাওয়ার নিয়ম

পরিবার ছোট রাখার তাগিদে বা অনাকাঙ্ক্ষিত জন্ম নিয়ন্ত্রণে কনডম ব্যবহার করতে হয় বা পিল খেতে হয়। তবে কনডম ব্যবহারে অনেকেই স্বাচ্ছন্দবোধ না করায় পিলের ব্যবহারেই অধিক। কিন্তু এই জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ার নিয়ম, কোন পিল ভালো বা কোনটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর অথবা আসলেই কী পিল খাওয়া উচিত কিনা এসব ব্যপারে অনেকেই জানে না। তাছাড়া অনেকে জানে না ইমার্জেন্সি পিল অধিক মাত্রায় খেলে এর কী বিরুপ প্রভাব পড়ে। জন্মনিরোধক পিল সম্পর্কে আছে অনেক কিছু জানার। চলুন তা হলে এসব ব্যাপারে এখন জানা যাক।

ইমারজেন্সি পিল কী

অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক মিলন হয়ে যায়। অথবা মিলনের সময় কনডম ছিড়ে যায়। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবেই গর্ভধারণের একটা আশঙ্কা থেকে যায়। তখন প্রয়োজন হয় ইমার্জেন্সি পিলের। ইমার্জেন্সি পিল হলো একটি হরমোনাল ঔষধ যার মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। এই ইমার্জেন্সি পিল ওভুলেশন প্রক্রিয়া পিছিয়ে দেয়। অর্থাৎ ইমার্জেন্সি পিল গ্রহণের ফলে নিষিক্ত ডিম্বাণুকে জরায়ুতে আসতে বাধাগ্রস্থ করে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ হয় না। তবে গর্ভধারণ করার পর এটা কাজ করবে না।

আরও দেখুন: পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়

ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার নিয়ম

ইমার্জেন্সি পিল সাধারণত খাওয়া হয় মিলনে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে কনডম ছিড়ে গেলে, নিয়মিত পিল পরপর তিনদিন খেতে ভুলে যেতে, অপ্রস্তুতভাবে মিলিত হলে বা এমন কিছু কারণে যাতে গর্ভধারণে আশঙ্কা থাকে। ইমার্জেন্সি পিলের আরেক নাম মর্নিং আফটার পিল। অর্থাৎ এই পিল খুব নিয়ম করে খেতে হয় না। তবে ৭২ ঘণ্টা থেকে ১২০ ঘণ্টার ভিতর খেতে হয়। তবে এটা গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলে না। এটা শুধু ডিম্বাণুর জরায়ুতে আসার প্রক্রিয়াটা পিছিয়ে দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে যদি শুক্রাণুর ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদী হয় তবে ইমার্জেন্সি পিলের কার্যকারীতা নষ্ট হওয়ার পর গর্ভধারণের আশঙ্কা থাকে। তবে তার পার্সেন্টেজ প্রায় ২%। মনে রাখতে হবে ইমার্জেন্সি পিল কখনোই দীর্ঘমেয়াদি জন্মনিরোধক না। তাই এটার কার্যকারী ক্ষমতা আস্তে আস্তে কমতে থাকার ফলে একসময় এই পিল আর কাজ করে না। 

ইমার্জেন্সি পিল সবাই খেতে পারবে না। যেমন- যাদের এলার্জির সমস্যা আছে, যাদের দেহে ইমার্জেন্সি পিল সহ্য হয় না, যাদের মাসিক অনিয়মিত বা যারা ইতিমধ্যে গর্ভধারণ করেছে।

ইমার্জেন্সি পিল বেশি খেলে কী হয়?

ইমার্জেন্সি পিল দীর্ঘস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি না। খুব বেশি প্রয়োজন বা অপ্রস্তুতভাবে সহবাসের ফলে ইমার্জেন্সি পিল খেতে হয়। তবে অধিক পরিমাণে emergency pills খেলে কিছু ক্ষতিকর দিক লক্ষ্য করা যায়। যেমন বমি বমি ভাব, মাথা ঘুরানো, শরীর দূর্বল লাগা, পিরিয়ডে সমস্যা হওয়া, অতিরিক্ত রক্ত যাওয়া, মাসে দুইবার পিরিয়ড হওয়া ইত্যাদি। দীর্ঘদিন ধরে ইমার্জেন্সি পিল খেলে শারীরিক ক্ষতিরও সম্মুখীন হতে পারে। তাছাড়া কিছু মহিলার ক্ষেত্রে ইমার্জেন্সি পিল প্রথম থেকেই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে হরমোনাল কারণে। তাই ইমার্জেন্সি পিল একবার খাওয়ার পরে যদি বুঝা যায় এটা আপনার ক্ষতি করছে তাহলে এই পিল না খাওয়াই ভালো। 

আরও দেখুন: সেক্সে রসুনের উপকারিতা কি

নোরিক্স পিল খাওয়ার সঠিক নিয়ম

নোরিক্স পিল ইমার্জেন্সি পিলের বিভাগের পিল। তাই নোরিক্স খাওয়ার নিয়মও ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার নিয়মের মধ্যেই পড়ে। নোরিক্স হলো এক ধরণের ইমার্জেন্সি পিল। অপ্রত্যাশিত মিলনে গর্ভধারণের আশঙ্কা থেকে রক্ষার জন্য নোরিক্স পিল খাওয়া হয়। মিলনের ৭২ ঘণ্টা থেকে ১২০ ঘণ্টার ভেতর নোরিক্স পিল খেতে হয়।

নোরিক্স খেলে কী হয়

নোরিক্স যেহেতু একটি ইমার্জেন্সি পিল। তো খুব জরুরি না হলে নোরিক্স খাওয়া উচিত না। এতে লাভের থেকে ক্ষতি একটু বেশি হয়। সবার ক্ষেত্রে এক না হলেও কিছু ক্ষেত্রে নোরিক্স সবার দেহে সহনীয়তায় আসে না। আবার এটা বেশি খেলেও দেহে তেমন কাজ করে না। নোরিক্স বেশি খেলে এক সময় এর কার্যকরীতা কমে গিয়ে গর্ভধারণ হতে পারে। তাছাড়াও হতে পারে মাথা ব্যথা, অনিয়মিত মাসিক, বমি বমি ভাব ইত্যাদি।

ইমকন ১ পিল খাওয়ার নিয়ম

ইমকনও এক ধরণের ইমার্জেন্সি পিল। নোরিক্সের মত যত ইমার্জেন্সি পিল আছে সবগুলোর খাওয়ার নিয়মই এক। তারই ধারাবাহিকতায় ইমকন খাওয়ার ৭২ ঘণ্টার ভেতর কয়েকবার সহবাস করা যায় অন্য কোনো সুরক্ষা ছাড়া। তবে স্বাভাবিকতই ইমকনও ৭২ ঘণ্টা পর তার কার্যকারিতা হারায়। ইমকনসহ সব ধরণের ইমার্জেন্সি পিল শুক্রাণুকে ডিম্বাণুতে নিষিক্ত হওয়া থেকে বাধা দেয়। ফলে গর্ভধারণ ব্যহত হয়।

জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য কোন পিল সবচেয়ে ভালো?

কোন পিল সবচেয়ে ভালো—প্রশ্নটার উত্তর এক কথায় দেওয়া সম্ভব না আসলে। কারণ আপনার জন্য যে পিলগুলো সহনীয় হবে সেই পিলটাই আপনার দেহের জন্য ভালো। বাজারে অনেক ধরণের পিল পাওয়া যায়। তবে সব পিল সবার শরীরে সহনীয় হয় না। সাধারণ কিছু পিল হলো ফেমিকন, সুখি, নরেট, কনরেনা আর, মারভেলন ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে ফেমিকন, সুখি, নরেট ইত্যাদি পিলগুলো কিছুদিন আগ পর্যন্তও স্বল্পমূল্যের জন্য মানুষ বেশি ব্যবহার করত। তবে এই পিলগুলো খাওয়ার পর স্বাস্থ্য বেড়ে যাওয়া, চর্বি বেড়ে যাওয়ার মত বিভিন্ন প্বার্শপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই এখন মহিলারা জন্মনিরোধক হিসাবে কনরেনা, মারভেলনের মত পিলগুলো খেয়ে থাকে যদিও এর দাম ফেমিকন, সুখির চেয়ে একটু বেশি। কিছুদিন এই পিলগুলো খাওয়ার পর সহনীয় পর্যায় চলে আসে।

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ার নিয়ম

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পিল খাওয়া শুরু করতে হয় মাসিক হওয়ার অন্তত তিন দিন থেকে সাত দিনের মধ্যে এবং খেয়ে যেতে হয় ২৮ দিন পর্যন্ত। পিল খাওয়ার সিরিয়াল পিলের পাতাতেই দেওয়া থাকে। প্রথম সাদা অংশ থেকে খাওয়া শুরু করে বাদামি ট্যাবলেট পর্যন্ত খেতে হয়। বাদামি টেবলেট খাওয়ার সময় ঋতুচক্র শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পিল প্রতিদিন নিয়ম করে এক সময়ে খেতে হয়। তবে অধিকাংশ নারীই মাঝে মধ্যে পিল খেতে ভুলে যায়। সেক্ষেত্রে তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যখনি মনে পনে পড়বে সে খেতে পারে। নাহলে পরেরদিন একসাথে দুইটা পিল খেতে হবে। আর আগামী এক সপ্তাহ অন্য কোনো পদ্ধতি যেমন কনডম ব্যবহার করতে হবে। 

ফেমিকন খাওয়ার নিয়ম

ফেমিকন পিল এক ধরণের খাবার বড়ি। এটি ২৮ দিনের একটা ফাইল বলা যায়। সাধারণ পিল খাওয়ার নিয়মে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এই পিল খেতে হয় বিশেষ করে রাতে খেলে বেশি ভালো হয়। একদিন খেতে ভুলে গেলে পরেরদিন দুইটা পিল একসাথে খেয়ে নিতে হবে। তবে পরপর

কয়েক ফেমিকন পিল খেতে ভুলে গেলে অন্য একটা পদ্ধতি যেমন ইমার্জেন্সি পিল বা কনডম ব্যবহার করতে হবে। এসব পিল খেলে মাসিকের কোনো সমস্যা হয় না। নিয়মিত পিলগুলো খেয়ে গেলে মাসিকও নিয়মিত হবে।

সুখী পিল খাওয়ার নিয়ম

সুখী, ফেমিকন এই পিলগুলো এক বিভাগের হওয়ায় এদের খাওয়ার নিয়মও এক। সুখী পিল খাওয়ার বড়ি। এটি পানি দিয়ে খেতে হয় প্রতিদিন একটা করে। প্রতিদিন এক সময়ে খাওয়া সর্বোত্তম। তবে ভুলে গেলে মনে হওয়ার সাথে সাথে খেয়ে নেওয়া উচিত। সুখী পিল খাওয়া শুরু করতে হয় মাসিক হওয়ার তিনদিনের মধ্যে। তারপর নিয়মিত প্রথমে সাদা ও শেষে কয়েড়ি টেবলেটগুলো খেতে হয়। নিয়মিত সুখী পিল খেতে পরপর কয়েকদিন ভুল করলে গর্ভধারণ হতে পারে।

পিল খাওয়ার পর মাসিক না হওয়ার কারণ 

পিল খাওয়ার পরও মাসিক না হওয়াটা একটু দুশ্চিন্তার ব্যাপার। সাধারণত ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার পরও মাসিক না হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। আগেই বলা হয়েছে ইমার্জেন্সি পিল বেশি খাওয়ার ফলে কনসিভ করার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া এমনও হতে পারে ইমার্জেন্সি পিল নিয়মানুযায়ী গ্রহণের পরও কনসিভ করতে পারে।

নিয়মিত পিল খেতে ভুলে গেলে, ২৮ দিনের পিলগুলো খেতে পরপর কয়েকদিন ভুলে গেলে অথবা একদিন পিল খেতে ভুলে গিয়ে একসাথে দুইটা পিল খেলে কনসিভ করার সম্ভাবনা থাকে।

শরীরে রক্ত কম থাকার কারণে পিল খাওয়ার পরও মাসিক না হতে পারে। তাছাড়াও আরো অনেক কারণ হতে পারে। তবে পিল খাওয়ার পরও যদি মাসিক না হয় তবে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।

পিল খাওয়ার পরেও কি প্রেগন্যান্ট হয়

খুব সাধারণ একটা প্রশ্ন, “পিল খাওয়ার পরও কেন প্রেগন্যান্ট হয়?” পিল খাওয়ার পরও প্রেগন্যান্ট হওয়ার চান্স থাকে কিছু ক্ষেত্রে। ইমার্জেন্সি পিল খাওয়ার পরও ২% মহিলা কনসিভ করতে পারে এটা এক গবেষণায় প্রমাণিত। তার কারণ প্রথমে দেওয়া হয়েছে। সর্বোপরি নিয়মিত সঠিক নিয়মে পিল না খেলেই কনসিভ করতে পারে। তাছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ পিল খেলেও প্রেগন্যান্ট হতে পারে।

পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে করণীয়

পিল খাওয়ার পর মাসিক না হলে ধৈর্যসহকারে বাদামি পিলগুলো শেষ করতে হবে। কোনো সমস্যা না থাকলে মাসিক হয়ে যাবে। তবুও যদি মাসিক না হয় ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তাছাড়া সবুজ শাক সবজি বিশেষ করে যেসব শাক সবজি রক্ত শূন্যতা কমায় তা বেশি পরিমাণে খেতে হবে। গর্ভধারণের লক্ষণ থাকলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত। 

গর্ভাবস্থায় পিল খেলে কী হয়?

পিল জন্মনিরোধক, তাই এটার কার্যকরীতাও বাচ্চা কনসিভের আগে। গর্ভাবস্থায় ভুলে পিল খেয়ে ফেললে বাচ্চার কোনো ক্ষতি হবে না। যেহেতু পিল মাসিকের সাথে সম্পৃক্ত, তাই এটা বাচ্চার উপর প্রভাব ফেলবে না। তবুও সচেতন থাকা ভালো এমনও হতে পারে গর্ভাবস্থায় বাচ্চার হরমোনের শক্তির চেয়ে পিলের কার্যক্ষমতা বেশি হলে বাচ্চা নষ্ট হয়েও যেতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় পিল খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

শেষ কথা

আমাদের দেশের কিছু মানুষের ধারণা পিল খাওয়ার ফলে কখনো বাচ্চা হয় না। এটা সম্পূর্ণ ভুল। পিল খাওয়ার ফলে সাময়িকভাবে বাচ্চা না হলেও পিল খাওয়া ছেড়ে দিতেই বাচ্চা হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নতা থাকে। অনেকদিন পিল খাওয়ার পরে যদি জরায়ুতে চর্বি জমে তাহলে বাচ্চা হওয়াতে সমস্যা হতে পারে। তবে ঠিকমত চিকিৎসা করা হলে এই সমস্যারও সমাধান হয়ে যায়। প্রথমে শরীরের সাথে মানানসই পিল খেতে হবে, যাতে শারীরিক কোনো সমস্যা দেখা না দেয়।

সতর্কতা: কিছু ক্ষেত্রে ইসলামে অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণের বৈধতা আছে। কিন্তু, স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ বৈধ নয়। তাই আপনি মুসলিম হলে অবশ্যই এই বিষয়টি লক্ষ্য রাখবেন।

Share this article

Content Writer
Studies at Rampur Anwara High School
Lives in Mymensingh, Bangladesh
একজন শিক্ষার্থী হওয়ার পাশাপাশি কবিতা ও গল্প লিখতে ভালোবাসি। লেখালেখি নিয়ে পরিচিত হওয়ারও একটা তাগিদ কাজ করে আমার মাঝে। তারই তাড়নায় স্টাডিকরো ব্লগ সাইটে লেখালেখি শুরু করি। যতদিন সম্ভব স্টাডিকরো’র সাথে থাকবো।
Comments
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

Related articles

ছেলেদের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম

ছেলেদের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিম দাম ও নাম: ১০০% মানসম্মত ডাক্তারি ক্রিম

এই লেখায় ছেলেদের ফর্সা হওয়ার ডাক্তারি ক্রিমের নাম, দাম, ব্যবহারবিধি এবং অনলাইন থেকে অর্ডার করার লিংক দেওয়া হয়েছে।

ভালোবাসার ছন্দ কবিতা

প্রেম ভালোবাসার ছন্দ ও কবিতা: স্বামী-স্ত্রীর জন্য

প্রেম ভালোবাসা অপাত্রে দান করলে তখন তা দোষনীয়। প্রেম পবিত্র, যখনই তা স্বামী স্ত্রীর মাঝে সীমাবদ্ধ। স্বামী স্ত্রীর পবিত্র বন্ধনকে আরও রোমান্টিক করতে একে অপরকে প্রেমের কবিতা বা ছন্দ শোনানো বেশ কার্যকর। তাই আজকের এই লেখায় যতশত ভালোবাসার ছন্দ বা কবিতা উল্লিখিত হয়েছে তা আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সাথে আদান-প্রদান করতে পারেন।

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ

গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণ: যেভাবে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী কিনা

মেয়েদের পূর্ণতা মা হওয়াতে। সন্তানের মা হওয়া মেয়েদের পরিপূর্ণ করে। মা হতে পারা পরম প্রাপ্তি। এই প্রাপ্তির সূচনা হয় গর্ভবতী হওয়ার মাধ্যমে। আজকের ব্লগে আপনারা গর্ভবতী হওয়ার লক্ষ্মণ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

English blog

ক্যাটাগরি

অনুসন্ধান করুন

সঠিক কিওয়ার্ড লিখে খুঁজে নিন আপনার দরকারি পোস্টটি!

Report this article

Let us know if you notice any incorrect information about this article or if it was copied from others. We will take action against this article ASAP.

Share this page
পিল খাওয়ার নিয়ম

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ার নিয়ম: পিল খাওয়ার সঠিক নিয়ম জেনে পিল খাচ্ছেন তো!

https://www.studykoro.com/how-to-eat-birth-control-pills/

Report this book

Let us know if you notice any incorrect information about this PDF book. Also, please let us know if the given PDF file is banned for sharing; we will remove it as soon as possible. 

User Profile Picture

YourName